নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযোদ্ধাদের টাকা মুক্তিযোদ্ধদের দিবে সরকারের এতে কষ্ট লাগবে কেন? ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে দেশের জন্য পাহাড় সমান বাজেট ঘোষনা করছে বিএনপি সরকার কিন্তু বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিতে সরকারের এত কার্রপণ্য কেন দেশপ্রেমিক আমজনতা কি তা জানতে পারে?
মহান মুক্তিযুদ্ধোত্তর বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন দেশের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত ও গাজী সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পূনর্বাসনের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট গঠন করে পশিমাদের ফেলে যাওয়া কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান কল্যাণ ট্রাষ্টকে দিয়ে গিয়েছিলেন। তার আয় উন্নতির টাকা দিয়ে শহীদ, যুদ্ধাহত ও অসহায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা যাতে চলতে পার। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার অস্বচ্ছল ও দরিদ্র সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে মাসিক তিনশত টাকা ভাতা চালু অত:পর তা সম্মানী ভাতায় রুপান্তর করলে রাষ্ট্রপতি থেকে গরীব কৃষক শ্রমিক মুক্তিযোদ্ধা সবাই এখন মাসে বিশ হাজার টাকা পাচ্ছে আর তা বিএনপি জাতীয় পার্টি সব সরকারই এই কার্যক্রমটি চালু রেখেছে। বীররা সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও ভোগ করে আসছেন। এ জন্য সকল সরকারের কাছেই মুক্তিযোদ্ধারা কৃতজ্ঞ।
তবে মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন হওয়া দেশগুলির মুক্তিযোদ্ধা বা মাতৃভুমির স্বাধীনতা সৈনিকদের রাষ্ট্রের ১ং নাগরিক হিসেবে সম্মান ও রাষ্ট্রের সকল সুবিধা প্রদান করা হয় আমৃত্যূ। সেদিক থেকে বাংলাদেশের সূর্য সন্তান নামী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্মূল্যের বাজারে মাত্র বিশ হাজার টাকা মাসিক ভাতা করা হয়েছিল বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে ধাপে ধাপে। বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার বলে পরিচয়দানকারী বিএনপি সরকার কেন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাজেটে বাড়াচ্ছে না ? বিশ হাজার টাকায় বয়সের ভারে ন্যুয্য ও নানা রোগে আক্রান্ত বীরদের ঔষধের খরচই কোলায় না বাকি কিছু টাকা থাকলে এক সপ্তাহের জন্যে ও বাজার করা যায় না। সুতরাং আরো বিশ হাজার টাকা বাড়িয়ে মোট চল্লিশ হাজার টাকা মাসিক ভাতা করার প্রস্তাব করছি।
অবশ্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী শহীদ যুদ্ধাহত,খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের এবং কথিত জুলাই যোদ্ধা নামীদের জন্য ভাতার বাজেট বৃদ্ধি করলেও সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধির স্বদিচ্ছা দেখাননি।
তবে সংসদে দুইজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম,পি এড.ফজলুর রহমান ও এড.জয়নাল আবেদীন ফারুক খুব আবদারের সাথে তাদের স্পিকারকে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাজেটে ভাতা বাড়ানো জোর দাবী জানিয়েছেন।
এখন যুদ্ধকালিন ১ নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জেনারেল জিয়াউর রহমানের সুযোগ্যপূত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে সমাজের হতদরিদ্র বয়সের ভারে ন্যুয্য তার বাবার সহযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক ভাতাসহ কোন সুযোগ সুবিধা বাড়াবেন কিনা!!
Leave a Reply