1. akm.karam.ali@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@grambanglarbani.com : GramBanglar Bani : GramBanglar Bani
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান হানিকর বিতর্কীত কোন সিদ্ধান্ত নিলে মুক্তিযোদ্ধারা মাঠে নামতে বাধ্য হবে! বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ নিয়ে কিছু কথা; গুড নেইবারস বাংলাদেশ দোহার সিডিসি এর মাসিক সভা অনুষ্ঠিত; একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়েও কি শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানি জান্তাদের!! একাত্তরের যুদ্ধশিশু এই দেশটা কার! নেকড়ের গায়ে ভেড়ার খোলস বাংলা ভাষা ও এর পবিত্রাকে রক্ষা করা দেশপ্রেমী বাঙালির দায়িত্ব ও কর্তব্য; কথিত লোহার শিকল থেকে মুক্ত হয়ে আমেরিকার সোনার শিকলে বন্দী হলো বাংলাদেশ; প্রয়াত সাংবাদিক আসলাম ইকবাল ও প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিকদের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত;

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান হানিকর বিতর্কীত কোন সিদ্ধান্ত নিলে মুক্তিযোদ্ধারা মাঠে নামতে বাধ্য হবে!

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২২৭ বার

নিজস্মব প্রতিবেদক:

বিএনপি সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অমুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার দপ্তরের উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে মিথ্যে অযৌক্তিক অপমানজনিত কথাবার্তা ও অশুভ বিতর্কীত কর্মকান্ড বিষয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণের মৃত্যূপথ যাত্রী বয়োবৃদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধারা অত্যন্ত ক্ষুদ্ধ,অসন্তুষ্ট, বিতশ্রদ্ধ ও প্রতিবাদ মূখর হয়ে উঠেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান গতকাল সচিবালয়ে তার দপ্তরে এক সাংবাদিক সাক্ষাতকারে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা বাজেটে না বাড়ালেও তিনি মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে থাকা ‘বীর’ শব্দের প্রয়োজন নেই বলে যে স্পর্ধা প্রকাশ করেছেন তা শুনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা ভিষন ক্ষিপ্র হয়ে উঠেছেন। তবে কি তিনি ‘বীর’ বাদ দিয়ে জুলাই(জঙ্গি) কথিত যোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধার সমানতরাল দেখতে কৌশলী পদক্ষেপ নিতে সুক্ষু ষড়যন্ত্রের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন তথ্য উপদেষ্টা! এ পদক্ষেপ নিলে হিতে বিপরিত হতে বাধ্য মনে রাখবেন মহোদয়। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের অমুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আহমেদ আজম খান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী আমেরিকার সাহায্য নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার পায়তার চালাচ্ছেন। দেশপ্রেমিক বাঙালিদের স্মরণে আছে নিশ্চয়ই একাত্তরে বাংলাদেশের মরণপণ মহান মুক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে বঙ্গোপসাগরে সপ্তম (৭ তম) যুদ্ধাস্র বোঝাই নৌবহর পাঠিয়ে ছিল আমেরিকা বাংলার মুক্তিকামী মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করার জন্য। সেই মুক্তিযুদ্ধের চরম শত্রু আমেরিকার সাহায্যে মুক্তিযোদ্ধাদের ( ৭ বার যাচাই বাছাইকৃত) তালিকা পুনরায় তৈরী করার মহা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী মার্কিন কুটনৈতিকের সাথে বৈঠকে বসে। চলতি সংসদের অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধের অযোগ্য মন্ত্রী তার বক্তব্যে জনগণ দেখেছে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব না দিয়ে জুলাই(জঙ্গি) কথিত যোদ্ধা ও খেতাব প্রাপ্ত অল্প কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে কি উৎসাহ ও উন্মাদনা দেখাচ্ছিলেন।
এ ছাড়াও অবৈধ দখলদার দেশ ধবংসকারি ড.ইউনূস সরকারের সময়ে মুজিব নগর মেহেরপুরের আম্রকুঞ্জের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সরকার গঠন স্থলের স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভগুলি , বঙ্গবন্ধুর ম্যূড়াল, বীরশ্রেষ্ঠদের ম্যূড়াল, সারাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা ধবংস করেছে সেগুলি সংস্কারের ব্যাপারে সরকার এখনো কোন উদ্যোগ নেয়নি। এবং দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দেশপ্রেমিক জনগণ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় থেকে জুলাই(জঙ্গি) কথিত যোদ্ধাদের অনুদান বা ভাতার তালিকাটি অন্য মন্ত্রনালয়ে সড়িয়ে নেওয়ার জন্য বারংবার দাবী জানালেও উহা চরম ভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দেশের মুক্তিযোদ্ধারা অকুন্ঠ সমর্থন দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় যাওয়া পথ প্রশস্ত করে দিলেও এ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ সুবিধা মান সম্মান রক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আন্তরিক না হয়ে বিমাতা স্বরুপ আচরণ করছে সর্বক্ষেত্রে। সারাদেশে নানাভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে মামলা হামলা খুন জেল জুলুম নির্যাতন নিপিড়ন অপমান অপধবস্ত হচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র একাত্তরের যুদ্ধ শিশু জামাত শিবির রাজাকার আল বদর,নব্য এনসিপি, উগ্র মব সন্ত্রাসী, মৌলবাদী তৌহিদী জনতা নামি জঙ্গির সাথে উগ্র বিএনপি ছাত্রদলের হিংস্র থাবা এখনো চলছে বিদায়ী দখলদার ড. ইউনূস সরকারের মত। অনেক মুক্তিযোদ্ধারা মিথ্যা অভিযোগে জেলাখানায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন সরকার তাদের জামিন বারংবার না মঞ্জুর করছেন এবং এই সরকার প্রথিতযথা আইনজীবি,শিল্পী সাংস্কৃতিক শিক্ষাবিদ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব রাজনীতিবিদ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক জেলখানায় বিনা জামিনে দীর্ঘদিন আটক রেখে মৃত্যূর মূখীমূখি দাড় করিয়ে রেখে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের সরকার বলে প্রচারনা ও দাবী করছে দেশবিদেশের কাছে। এটা যেমন অমানবিক ন্যাক্কারজনক ঘটনা তেমনি অত্যন্ত দু:খ্য জনক ও চরম নিন্দনীয় ঘটনাও বটে।
দেশে দীর্ঘদিন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ না থাকায় ইউনুস সরকারের আমলে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কিছু সুবিধাবাদী দালাল প্রকৃতির মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অস্থায়ী ভাবে একটি কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি গঠন করেছিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য। তাতে তারা ব্যর্থ হলে আবার মন্ত্রীকে হাতপায়ে ধরে আগামি ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ ছয় মাস বাড়িয়ে নিয়েছেন।তারা সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানো সহ সুযোগ সুবিধা এমন কি তাদের উপর স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি কর্তৃক নানা হামলা মামলা খুন নির্যাতন নিপিড়ন সহ ঘরবাড়ি উচ্ছেদ দখল জ্বালাও পুরাও অপকর্ম প্রতিরোধে কোন প্রকার সাহায যোগিতাতো করেননি ভূক্তভোগীদের পক্ষে একটি বিবৃতিও দেননি। বরং তারা জুলাই(জঙ্গি) কথিত যোদ্ধাদের ও নিজ দলীয় সুবিধাবাদীদের কাদে কাদ মিলিয়ে চলেছে( সাবেক উপদেষ্টা ফারুকী আজম ও বর্তমান মন্ত্রী আহমেদ আজম এর মত)। আহবায়ক নঈম জাহাঙ্গীর ও সদস্য সচিব সাদেক খানের কমিটির নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে টাকার বিনিময়ে জেলা, উপজেলা শহর কমিটি দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা শুধু পকেট ভারি করেছেন আর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন বৃহত্তর বিভাজন। মন্ত্রীরা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী আমেরিকার সাহায্য নিয়ে পুনরায় তালিকার করার ষড়যন্ত্র ব্যস্ত রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বাজে মন্তব্য করছে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদে সোচ্ছার হলেও পাপেট মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিলজ্জ নেতারা এর বিরুদ্ধে টুশব্দটি করছে না।

১৯৯৮ সাল থেকে আওয়ামীলীগ,বিএনপি জাতীয় পার্টি এই তিনটি সরকারের আমলে (১৯৯৮,২০০৫,২০১০,২০১৪,
২০১৭,২০২১,ও ২০২২ মোট ৭ বার ) বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই বাছাই হয়ে সম্মিলিত তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে ডিজিটাল সনদ প্রদান ও এমআইএস ( ম্যানেজমেন্ট ইনফমেশন সিস্টেম) মুক্তিযোদ্ধা নাম্বার ফেলে মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যান্য উৎসব ভাতা সহ মূলভাতা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে যার যার নামে প্রদান করা হচ্ছে। তারপর এমন কি ঘটনা ঘটলো যে মুক্তিযুদ্ধকালিন পাকিস্তানের প্রধান হিতৈষী বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান শত্রু আমেরিকাকে দিয়ে ৭ বারে যাচাই বাছাইকৃত মুক্তিযোদ্ধার চুড়ান্ত তালিকা পুনরায় করতে হবে, কেন?
তাহলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কি ধরে নিবে আমেরিকার ডিপ স্টেটের ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তাদের এদেশীয় প্রধান দালাল ড. ইউনূসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনকৃত রিসেট বাটনের শেষ বোতামটি আমেরিকাকে দিয়ে টিপিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সহ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চিরতরে মুছে ফেলে আমেরিকার সৃষ্ট বিশ্ব জঙ্গিনেতা আফগানিস্তানের লাদেন এর মত বাংলাদেশেরও মৌলবাদী জঙ্গি জামাত শিবির এনসিপির জঙ্গিতৎপরতার উত্থানকে চিরস্থায়ী করে বাংলাদেশকে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের মাধ্যমের আলাদা রাষ্ট্রে রুপান্তরিত করে মুক্তিযোদ্ধাদের পাকিস্তান ভাঙ্গার দায়ে ফাঁসিতে ঝুলাতে উঠে পড়ে লেগেছে। তাহলে এর প্রতিফল হিসেবে দেশের সমস্ত বীর মুক্তিযোদ্ধারা বাধ্য হবে আরেক বার দেশ রক্ষার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে। তাতে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা বাংলাদেশ থেকে পালানোর সময় পাবে না!


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2026 GramBanglarBani
Theme Customized By BreakingNews