1. akm.karam.ali@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@grambanglarbani.com : GramBanglar Bani : GramBanglar Bani
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান হানিকর বিতর্কীত কোন সিদ্ধান্ত নিলে মুক্তিযোদ্ধারা মাঠে নামতে বাধ্য হবে! বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ নিয়ে কিছু কথা; গুড নেইবারস বাংলাদেশ দোহার সিডিসি এর মাসিক সভা অনুষ্ঠিত; একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়েও কি শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানি জান্তাদের!! একাত্তরের যুদ্ধশিশু এই দেশটা কার! নেকড়ের গায়ে ভেড়ার খোলস বাংলা ভাষা ও এর পবিত্রাকে রক্ষা করা দেশপ্রেমী বাঙালির দায়িত্ব ও কর্তব্য; কথিত লোহার শিকল থেকে মুক্ত হয়ে আমেরিকার সোনার শিকলে বন্দী হলো বাংলাদেশ; প্রয়াত সাংবাদিক আসলাম ইকবাল ও প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিকদের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত;

মহান মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা স্বদেশপ্রেম বনাম বিপক্ষশক্তি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ২৩৫ বার

 

#সত্যানুসন্ধানী_প্রতিবেদক;

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা হঠাৎ করে বঙ্গভুমিতে নেমে আসেনি বা সংঘটিত হয়নি। এর পিছনে অনেক সংগ্রাম আন্দোলন রক্তক্ষয়ী স্বশস্র বিপ্লব জীবন উৎসর্গী আত্মত্যাগ করতে হয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দি ধরে দেশপ্রেমি বাঙালি সূর্যসন্তান রাজনীতিক নেতাকর্মী ছাত্র যুবক কৃষকশ্রমিক মেহেনতি আমজনতার মধ্য থেকে গড়া উঠা মুক্তিযুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধারা। আজকের চুয়ান্ন হাজার বর্গমাইল + (প্রাপ্ত অধিকৃত জলসীমা) অধ্যশিত পদ্মা মেঘনা যমুনা কপোতাক্ষী সুরমায় বেষ্টিত বাংলাদেশ টি এমনি এমনি স্বাধীনতা অর্জিত হয়নি! এর জন্য বৃটিশ আমলে বিপ্লবী খুদিরাম,সূর্যসেন,প্রীতিলতা ওয়ার্দ্দারদের মত শত শত দেশপ্রেমীদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হয়েছে। পাকিস্তান আমলে পাঞ্জাবী পাঠান উর্দ্দীভাষী স্বৈরশাসক লিয়াকত আলী খান,ইস্কান্দর মীর্জা, জেনারেল আইয়ুব খান, জেনারেল ইয়াহিয়া খানদের নির্মম অত্যাচার,নির্যাতন, বৈষম্যের শোষন বেআইনি শাসনের সীমাহীন স্ট্রীম রোলারে বাঙালিরা পদদলিত হয়েছে শতাব্দির পর শতাব্দি যুগের পর যুগ ধরে। তা থেকে মুক্তির উপায় খুজার চেষ্টা করেছিলেন বাঙালি জাতির দেশপ্রেমিক ক্ষণজন্মা মহা পুরুষগণ ও সূর্যসেনাদের মধ্যে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক,হোসেন শহীদ সারওয়ার্দী,মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী,সামসুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান, এড.ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মুহাম্মদ অলী আহাদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেইন মুনসুর আলী , কামরুজ্জামানের মত জীবন উৎসর্গকারী স্বনামধন্য প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।
পাকিস্তানী স্বৈর শাসকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাঙালি নেতারা যখন বাঙালিদের ন্যায্য দাবী ও অধিকার আদায়ের জন্য আমজনতাকে নিয়ে রাজপথে নামলেন তখন নেতাকর্মী ও আন্দোলনকারিদের উপর নেমে আসতো স্বৈর-শাসকদের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ আর্মী ইপিয়ার বাহিনীদের অমানবিক জুলুম ও নির্যাতন। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্টে পাকিস্তান স্বাধীনের বছর যেতে না যেতেই বাঙালিদের মা’য়ের ভাষা বাংলাভাষা বাদ দিয়ে উর্দ্দুকে বাঙালির উপর চাপিয়ে দেওয়ার জুলুমবাজি আইন জারি করলে বাঙালি জাতি গর্জে উঠে পশ্চিম পাকিস্তানী উর্দ্দুভাষাভাষী স্বৈর-শাসকদের বিরুদ্ধে। চরম আন্দোলন সংগ্রামের চুড়ান্ত পর্যায়ে বাংলার সূর্য সন্তান রফিক,শফিক সালাম জব্বার বরকত ভাইদের বুকের রক্ত দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হলো মাতৃভাষা বাংলাকে। সেই থেকে দীর্ঘ তেইস বছরে অনেক রাজনীতিক চড়াই উৎরাই পার করে অনেক ঝানু ঝানু রাজনীতির নেতাদের মাঝ থেকে প্রধান নেতৃত্ব সম্মূখ সংগ্রামের ঝান্ডা হাতে তুলে নেন বাঙালির অকুতোভয় অবিসংবাদিক নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আওয়ামীলীগের প্রধান নেতা হিসেবে। শুরু হয় তাকে সহ তার সহযোদ্ধাদের উপর শতশত মামলা রজ্জু জেলজুলুম অত্যাচার নিপিড়ন। জেলে ঢুকানো- মুক্তি, আবার জেলে আবার মুক্তি বঙ্গবন্ধু ও তার সহযোদ্ধাদের নিয়ে পাকিস্তান সরকার চোর পুলিস খেলা শুরু করে। অবশেষে ১৯৬৮ সালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান আগরতলা যড়যন্ত্র নামক এক মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে ৩৬ জনের এক বহরকে আসামী বানিয়ে জেলাখানার ভিতরে প্রহসন মূলক বিচার বসিয়ে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিতে ঝুলানোর পায়তারা করলে ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্ব পূর্ব পাকিস্তানে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রামের ১১ দফা দাবীতে পূর্ব পাকিস্তান অচল করে দিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ সকল আসামীকে নি: শর্তে মুক্তি দিতে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আউয়ুব খান অত:পর তিনি নিজে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করে সরে দাড়ান এবং আরেক জেনারেল ইয়াহিয়া খানকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
ইয়াহিয়া খান গদীতে বসে ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন দেন এবং পাকিস্তান আওয়ামীলীগ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন পেলেও ইয়াহিয়া খান আওয়ামীলীগকে সরকার গঠন করতে দেননি অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পার্লামেন্টের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর স্থান পাওয়া সত্যেও তাকে ক্ষমতা দেওয়া হয়নি বরং ২৫ মার্চ ‘৭১ নিরস্র বাঙালির উপর সার্চলাইট নামক অস্রাভিযান চালিয়ে সমগ্র বাঙালির উপর গণহত্যা শুরু করলে বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশের দীর্ঘ নয় মাস মুজিব নগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্ব পরিচালিত মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ বাঙালির জীবন উৎসর্গ ও দুই লক্ষাধিক মা-বোনের সম্ভ্রম হানির বিনিময়ে আমরা যে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জন করেছি তাতো এমনি এমনি আসেনি।
কিন্তু কিছু অর্বাচিন পাকিস্তানীদের রক্তবীর্যে সৃষ্টি এ দেশের মাটিতে বসে ভাত মাছ খেয়ে দেয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ইয়াহিয়া টিক্কাখান নিয়াজী ভূট্টোদের জারজ সন্তানরা মহান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে আর এ দেশের মাটি মানুষের রক্ত চোষে খাচ্ছে আর মুক্তিযুদ্ধে প্রাপ্ত দেশের ক্ষতি করছে দেশ ধবংস করছে। ঐ সব অর্বাচিন দেশদ্রোহী রাজাকার আল বদর, আল সামসদের শাবকরা এবং মার্কিন সিআইএ ও পাকিস্তানী আইএসআই প্রদত্ত বিলিয়ন বিলিয়ন অবৈধ $$ডলার প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের বৈধ নির্বাচিত একটি সরকারকে মিথ্যা গুজব কাল্পনিক অসত্য ঘটনা রটিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে পতন করে সুখি সমৃদ্ধি সোনার বাংলাকে লুটে পুটে খাওয়ার জন্য এই অবৈধ ধবংসাত্মক কাজ করে চলছে। তারা পতীত আওয়ামী লীগ সরকার ও দলের নেতাকর্মীর বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট অতপর ভাংচুর অবশেষে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। আওয়ামী নেতাকর্মী আত্মীয় স্বজনকে হত্যা ধর্ষন করেছে। বাদ দেয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের স্থাপত্য ম্যূরাল স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি সহ সারা দেশের ম্যূরাল প্রতিকৃতি বোলড্রেজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা তাদের পরিবার সদস্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারনকারি সাংবাদিক ছাত্রশিক্ষক ব্যবসায়ী সরকারি কর্মচারি পুলিশ আনছারদের নামে শত শত মিথ্যা মামলা রজ্জু পারিবারিক ভাবে নির্যাতন বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ,জমি হাওর বাওর দখল করে নেওয়া এমন কি বউ বাচ্চাদের উপর অমানবিক নির্যাতন নিপিড়ন চালিয়েছে অবৈধ চরদখলী ড.মু.ইউনুস সরকারের পাকিস্তানপন্থী জঙ্গিবাহিনী ও মব বাহিনীর লুটেরা গং। এই উগ্র ধর্ন্মান্ধ জঙ্গিদের হাত থেকে রেহাই পায়নি ভিন্ন মাহজাব পন্থী মুসলমান তাদের মাযার মসজিদ এবাদত খানা ভেঙ্গে চুরে তছনছ করেছে। পীর ফকিরদের মৃত লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়া দেওয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দিয়েছে। হিন্দুদের মন্দির বাড়িঘর লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে ছাড়খার করেছে, জ্যান্ত মানুষ গাছে ঝুলিয়ে আগুনে ভস্ম করে নোংরা ইতরদের হায়নাদের মত নৃত্য উল্লাস করেছে মোট কথা ধবংসাত্মক এমন কোন কাজ নেই যা তারা করেনি!৫ আগস্ট ‘২৪ সারাদেশে সারে চার হাজার থানা ভাংচুর ও কয়েক হাজার অস্রলুট করেছে, তিন হাজারে উপরে পুলিশকে হত্যা করেছে দেশ বিদেশের সকল গণ-মাধ্যম গুলি এ খবর প্রকাশ করেছে তার জন্য প্রথমত: ড. ইউনুস সরকার অনুঘটকদের বাঁচানোর জন্য অবৈধ দায়মুক্তি আইন করেছে পরে বিএনপি সরকার সে আইন সংসদে অনুমোদন দিয়েছে।

মোট কথা স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির উগ্র ধর্ন্মান্ধ গোষ্ঠি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চির শত্রু ইঙ্গ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান তুরস্ক ইসরাইল সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধবাজ অস্রব্যবসায়ীরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত এ দেশটার উন্নয়ন অগ্রগতি সুজলা সফলা হিসেবে বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠতে দিতে চায় না। বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিনত হলে বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন সুমুদ্র দ্বীপ,চট্রগাম বানিজ্য বন্দরপোর্ট,কক্সবাজারে পার্বত্য অঞ্চল সহ দখলে নিয়ে স্থায়ী ঘাটি তৈরী হলে বেচা কিনা করতে তাদের জুৎ সই সুবিধা হয় আর সেখানে যদি বিশ্ব বেইমান মীর জাফর আলী খানের উত্তরসূরী হিসেবে দেশদ্রোহী মোনাফেক বিশ্ব বাটপার লুটেরা ড. মু.ইউনুস, ড.আসিফ নজরুল,নাহিদ, ডা. শফিক,বদিউল আলম মজুমদার, আদিলুর রহমান ড.দেবপ্রিয় , ড.আলী রিয়াজ, সজিব ভূইয়া, হাসানাত, সারজিস,রেজুয়ানা হাসান চৌধুরী , জামাতি উকিল তাইজুল,কনটেইন ক্রেয়টর পিনাকী ভট্টাচার্য, সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান,মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান,নূরুল হুদা,ইলিয়াস হোসেন , জিল্লুর রহমান,খালেদ মহিউদ্দিনদের সাহায্য যদি পায় বিনা বাধায়।

আজকের বাংলাদেশ এখানে পৌছতে কত খড় কোটা পুড়াতে হয়েছে আমার উপরের লেখায় কিছুটা প্রকাশ করেছি কারণ অতীতের ইতিহাসে স্বাক্ষী দেয় রাজা বাদশা সম্রাট মোগল পাঠান গৌড় আর্য মারাঠা বৃটিশ বেনিয়া পাঞ্জাবী পাঠানদের সাথে শতাব্দির পর শতাব্দি লড়াই সংগ্রাম আত্মত্যাগের বিনিময়ে এ বাংলাদেশ আজ স্বাধীন সার্বভৌমত্ব অর্জন করে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নিয়েছে। জাতিসংঘের ১৯৫ টা দেশের পতাকার পাশে শহীদের রক্তখচিত লাল সবুজে পতাকা আকাশে পতপত করে উড়ছে আর মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত প্রাপ্ত পতাকা বিশ্বকে জানান দিচ্ছে। জাতি সংঘের আর্কাইভে বাঙালি জাতির মহানেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ১৯৭১ এর সাত ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান করে নিয়ে বাঙালি জাতির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
এই সব স্বর্ণালী ঘটনা ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী দেশী বিদেশীরা মেনে নিতে পারছে না বলে ষড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্র করে মুক্তিযুদ্ধের মহান নায়ক স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট স্ব পরিবারে হত্যা করলো,৩ রা নভেম্বর ‘৭৫ জেলখানার অভ্যন্তরে ‘৭১ এর মুজিব নগর সরকার পরিচালনাকারি চার নেতা প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন,উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল,মন্ত্রী মুনসুর আলী ও কামরুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করলো, হত্যা করলো ‘৭৫ র ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবের নামে মুক্তিযুদ্ধের ২ নং সেক্টর কমান্ডার ও কে’ ফোর্সের অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী প্রধান জেনারেল নিয়াজীকে আত্মসমর্পন কালের উপস্থিত সেনানায়ক ও ২নং সেক্টর কমান্ডার কর্নেল হায়দার,সিপাহী বিপ্লবের নামে নভেম্বরে শেষে কর্নেল তাহের সহ ১ হাজারের ও বেশী মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের ফাঁসি দেওয়া হয় এমনি করে দেশের দেশপ্রেমিক বহু রাজনীতিক নেতাকর্মীকে পৃথিবী থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয় সর্বশেষ ‘২৪ শের জুলাইর অভ্যূত্থানের মাধ্যমে স্বাধীনতা বিরোধীরা এক জোট হয়ে দেশপ্রেমী রাষ্ট্রনায়ক বিশ বছরোর্ধ শাসন ক্ষমতার ৫ বারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যাকে অবৈধ ভাবে উচ্ছেদ করে ক্যাঙ্গারো কোর্ট বসিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্য ফাঁসির রায় শুনিয়েছে যাতে তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে পারলে এ দেশ টাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান জামাত শিবির বিএনপির জামাতি অংশ ও উগ্র ধর্ন্মান্ধ তথাকথিত তৌওহিদী জনতা নামীরা দেশটা আবার পাকিস্তান বানাতে পারে সে চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে শেষ কথা একজন মুক্তিযোদ্ধা তাদের সন্তান ও প্রজন্ম বেঁচে থাকতে স্বাধীনতা বিরোধীদের স্বপ্ন কোনদিন বাস্তবে রুপ নেবে না কারণ ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত বেঁচে থাকা প্রজন্মদের প্রেরণা যোগায় প্রতিক্ষনে। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2026 GramBanglarBani
Theme Customized By BreakingNews