1. akm.karam.ali@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@grambanglarbani.com : GramBanglar Bani : GramBanglar Bani
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের শিল্পাঞ্চলের গার্মেন্টস শ্রমিকরা ত্রিশ হাজার টাকা মজুরির দাবীতে আন্দোলনরত: দমনে পুলিশ ও দলীয় ক্যাডাররা এযাকশনে; গুড নেইবারস বাংলাদেশ দোহার সিডিসির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত; কওমী মাদ্রাসা উচ্চ শিক্ষার মর্যাদাবান হলেও ছাত্রশিক্ষকের মানসিকতা বদলায়নি শপথ বিহীন ফ্রি স্টাইলে চলুক রাষ্ট্র বা দেশ! মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থভান্ডার মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের সম্পত্তি বিক্রীর গভীর ষড়যন্ত্র চলছে তা বন্ধ করতে হবে; আমেরিকা বাংলাদেশের বন্ধু হলে অন্যকোন শত্রুর প্রয়োজন নেই ফলে শেখ হাসিনার মুক্তির পথ অন্ধকারাচ্ছন্ন! আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস- ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে পথসভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত; সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজ মৃত্যূবরণ করেছেন; মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু; নিত্য চিরবিদায় নেওয়া ‘৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে নবনব ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন জুলাই’২৪ চেতনাধারী মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বাহাদুর!!

দুর্বৃত্তদের ধরুন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৬০২ বার
ফাইল ছবি

রংপুরের গঙ্গাচড়ার অঘটনটি হঠাৎ করেই ঘটেনি। মৃত খগেন রায়ের ছেলে টিটু রায় অবমাননাকর স্ট্যাটাস দিয়েছেন বলে ৫ নভেম্বর গঙ্গাচড়া থানায় মামলা করেছিলেন একজন। তাহলে পুলিশ কেন ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিল না? তারা আগেভাগে ব্যবস্থা নিলে হয়তো সেখানকার হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরগুলো পুড়ত না। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ লোকদের ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে একজন নিরীহ মানুষ মারা যাওয়ার ঘটনাও দুঃখজনক।

এর আগে ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামুতে, ২০১৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ফেসবুকে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে স্ট্যাটাস দিয়ে দুর্বৃত্তরা অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে। তারা রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের এবং নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বহু ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ও জ্বালিয়ে দেয়। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, কোনো ঘটনায় এখন পর্যন্ত অপরাধীরা শাস্তি পায়নি।

রংপুরের ঘটনাটি রহস্যাবৃত। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিই ধর্মীয় অবমাননাকর কোনো স্ট্যাটাস দিয়েছেন, নাকি তাঁকে ফাঁসানোর জন্য কেউ এই দুষ্কর্ম করা হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। কেউ ধর্মীয় অবমাননাকর কিছু করলে দেশের প্রচলিত আইনে তাঁর বিচার হবে। কিন্তু সেটিকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করে কোনোভাবেই সম্প্রদায়বিশেষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া চলতে পারে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। পাঁচ দিন আগে দায়ের করা মামলার তদন্তের আগেই কেন হিন্দুদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হলো? এর পেছনে মহলবিশেষের উসকানি আছে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। বিশেষ করে আক্রান্ত হিন্দু পরিবারগুলো ভয়ভীতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সরকারের দায়িত্ব তাদের নিরাপত্তা দেওয়া। যাদের ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে, তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বাস করতে বাধ্য হচ্ছে। অবিলম্বে তাদের ঘরবাড়িগুলো পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া প্রয়োজন।

আমরা পুরো ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং অপরাধীদের শাস্তি দাবি করছি। কেউ ধর্মীয় অবমাননাকর কিছু করলে আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে। কিন্তু তাই বলে ধর্মের নামে সম্প্রদায়বিশেষের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা এবং তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া বরদাশত করা যায় না। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2026 GramBanglarBani
Theme Customized By BreakingNews