নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানীগুলি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সবচেয়ে শতভাগ সফল ব্যবসায়ী। কারণ মোবাইলফোন কোম্পানীগুলির একমাত্র বাকিতে কোন ব্যবসা করে না। নগৎ টাকার ফ্লেগজি বিক্রি করে গ্রাহকের কাছে। তারপরও সরকারের কাছে চার হাজার কোটি টাকার উপরে ট্যাক্স পরিষোধে তারা ব্যর্থ হবে কেন? তারা সফল ব্যবসায়ী হওয়া সত্যেও নিদিষ্ট সময়সীমা বেধে দিয়ে এমবি প্যাকেজ বিক্রী করে সময় উত্তীর্ণ হলেই অবশিষ্ট ব্যালান্স টাকা কোম্পানী অটোভাবে ফিরত নিয়ে নেয়। কিন্তু গ্রাহকের টাকায় কেনা এমবি’র ফ্লেগজি করা টাকা কেন ফিরত নিবে এটাতো এক প্রকার দিনে দুপুরে ডাকাতি। প্রতিদিন এরুপ কোটি কোটি টাকা ফোন ব্যবহারি গ্রাহকের কাছ থেকে অনধিকার ভাবে কেটে নিচ্ছে। মোবাইল কোম্পানী ও বিটিআরসিকে এ ব্যাপারে গ্রাহ্করা বারবার অভিযোগ জানালেও কোন কর্ণপাত করছে না। গতকাল জাতীয় সংসদের একজন এমপিও তার বক্তব্যে এব্যাপারটা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। উল্লেখ্য সূত্রমতে প্রকাশ দেশে ১৩ কোটি মানুষের হাতে ১৩ কোটি মোবাইল সিম রয়েছে। প্রতিদিন ১০ টাকা প্রতি সিম থেকে কেটে নিলে ১৩০ কোটি টাকা তাদের ফান্ডে ফিরত যায় যা আইনত অপরাধ। কিন্তু সরকার এ ব্যপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। উপরন্ত সংসদে এম,পিদের অভিযোগে জানা যায় মোবাইল কোম্পানী গুলির কাছে চার হাজার কোটি টাকা উপরে সরকারি পাওনা ট্যাক্স বকেয়া পড়ে আছে। কিছুদিন পর হয়তো দেখা যাবে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ড.ইউনুসের গ্রামিন প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকার ট্যাক্স মুওকুফ করার মত তারাও মুওকুফ করে নিয়ে গেছে।
Leave a Reply