1. akm.karam.ali@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@grambanglarbani.com : GramBanglar Bani : GramBanglar Bani
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু; নিত্য চিরবিদায় নেওয়া ‘৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে নবনব ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন জুলাই’২৪ চেতনাধারী মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বাহাদুর!! শেখ হাসিনার প্রত্যার্পণ -না! প্রত্যাবর্তন এ নিয়ে নষ্টালজিতে ভোগছে বিএনপি সরকার; সরিষার মধ্যে ভুতের বসোবাস (গণ-মাধ্যম ): অপ্রিয় সত্যের জন্মভূমি—নির্ভীক সংবাদ সাতাশতম_প্রতিষ্ঠা_বার্ষিকীতে_:জন্ম যার অপ্রিয় সত্য প্রকাশ’ উহার নামই নির্ভীক সংবাদ; নষ্ট রাজনীতির দুষ্টু লোকগুলি হবে বিতাড়িত ; বাংলাদেশ জঙ্গি আর দঙ্গলে পরিপূর্ণ; গুড_নেইবারস_বাংলাদেশ_দোহার_সিডিসি_এর_মাসিক_সভা_অনুষ্ঠিত; বর্বরতার নগ্ন প্রকাশ;

সরিষার মধ্যে ভুতের বসোবাস (গণ-মাধ্যম ):

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫৩ বার

গণ-মাধ্যম তথা রেডিও,টিভি,প্রিন্টেড সংবাদপত্র,( সরকার অনুমোদন হীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক,ইউটিউব,টুইটার হোয়ার্টেপ,টিকটক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্যাদি) সমাজ,দেশ, জাতির দর্পণ অর্থাৎ রাষ্ট্রের চতুর্থস্তম্ভ এ কথাটা শিক্ষিত সমাজের কাছেই বিশেষভাবে জ্ঞাত। সে কারণে সমাজের বিশেষ শিক্ষিত গোষ্ঠির কিছু ব্যক্তি সমাজ ও জাতির সেবাদানের জন্য অসত্যের বিরুদ্ধে সত্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুনীতি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে সরকারের কাছ থেকে রেডিও,টিভি,সংবাদপত্র প্রকাশের অনুমতি নিয়ে কাজ শুরু করেন। আর এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য লাগে একঝাঁক সংবাদকর্মী বাহিনী ও কলাকৌশুলী। সরকারের শ্রম আইনের বিধি মোতাবেক তাদের পারিশ্রমিক ও সকল সুযোগ সুবিধা প্রদানে রেডিও টিভি,সংবাদপত্র প্রকাশকদের শপথ ও অঙ্গীকারনামা দিতে হয় সরকারের তথ্য অধিদপ্তরের নিকট। এবং গণ-মাধ্যম যে লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয় এটা একটা সেবামুলক প্রতিষ্ঠান তা জেনেও সমাজের বিশেষ শ্রেণীর ব্যক্তিরা সুনাম ও খ্যাতি অর্জনের উদ্দেশ্য নিয়ে এ পথটায় এগিয়ে আসেন।এবং সততার ও নিষ্ঠার সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করলে নাম যশ খ্যাতি ও লাভ সব কিছু তারা পেয়ে থাকেন। অতীতেও গণ-মাধ্যম মালিকরা তা পেয়েছেন বর্তমানেও পাচ্ছেন।

তবে বর্তমানে গণ-মাধ্যম গুলির মালিকরা প্রতিষ্ঠান গুলির নীতি আদর্শ, গুনগত ও সেবাগত মান থেকে দূরে সরে এসে শুধু ব্যবসায়িকভাবে লাভ জনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। প্রতিষ্ঠান গুলির অত্যাবশ্যকীয় সংবাদকর্মী ও কলাকৌশুলীদের প্রতি বেশীরভাগ মালিক পক্ষ সকল নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে অসদাচরণ,নিপিড়ন,চাকুরিচ্যূতি বা ছাটাই,বিনাবেতনে কর্মীদের খাটানো, দীর্ঘদিন বেতন অপরিশোধ রাখা,নিয়োগপত্র না দেওয়া, সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন পরিশোধ না করা। এমন কি প্রকাশকের ব্যক্তিস্বার্থে অনেক অসত্য সংবাদ বা প্রতিবেদন প্রকাশে সংবাদকর্মীদের বাধ্য করা হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের গণ-মাধ্যম জগতে চলছে এক অরাজকতা ও সংবাদ কর্মীদের উপর অমানবিক চাকুরিচ্যূতি ও ছাটাই বেতন-বোনাস বঞ্চনার সুক্ষ অভিযান মালিক কর্তৃপক্ষের প্রতিষ্ঠান ‘নোয়াব’ নামের নবাবদের অত্যাচার। বিগত ২০১৯-২২ সালে মহামরি করোনা সংকটকালের সরকার যখন মানুষের অভাব অনটন উপলব্দি করে বিভিন্ন প্রকার ত্রাণ, নগৎ আর্থিক অনুদান প্রনোদনা দিচ্ছিল বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ গণ মাধ্যমকেও। সে সুযোগ ও ‘নোয়াব’ এর সদস্যরা হাত ছাড়া করেননি। আর সরকার এ প্রনোদনা দিচ্ছিল প্রতিষ্ঠানের সংবাদ কর্মীদের বেতন ভাতা চালিয়ে রাখার জন্য। অথচ গণ-মাধ্যম গুলিতে চলছে বিপরিত মুখি কর্মকান্ড।করোনার দোহাই দিয়ে বড় বড় প্রতিষ্ঠান গুলিতে সাংবাদিক ছাটাইয়ের মত মহা উৎসব চলেছে।
গণ মাধ্যম প্রতিষ্ঠান গুলির মালিকরা এমন কোন সুযোগ নেই যা তারা সরকারের কাছ থেকে নেয়নি। লক্ষ লক্ষ টাকার সরকারী বিজ্ঞাপণতো নিয়মিত আছেই,তাছাড়া প্রতিঠানের নামে শত শত একর জমি লীজ,কোটি কোটি টাকা লোনসহ প্রতিনিয়ত বহু সুযোগ সুবিধা সরকারের কাছ থেকে নিচ্ছেন নোয়াব এর সদস্যরা।
গণ -মাধ্যমের ডিক্লারেশন বা বিজ্ঞাপণী রেডকার্ড পাওয়ার সময় সাংবাদিকের সংখ্যা,বেতনের নিয়মাবলী মেনে চলার অঙ্গীকার করে যে মালিকরা পরবর্তীতে কোন নিয়ম কানন অঙ্গীকারের তোয়াক্কা না করে সংবাদ কর্মীদের উপর চাকুরিচ্যুত সহ অত্যাচার নিপিড়ন চালায় সে প্রতিষ্ঠানের ডিক্লারেশন থাকা কি উচিত!সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ের এ ব্যপারে খতিয়ে দেখা জরুরী। তাছাড়া যে প্রতিষ্ঠান গুলি সংবাদ পত্রের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না তাদের ডিক্লারেশন বাতিল সহ সকল রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা বাতিল করা সময়ের দাবী।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবিচল থেকে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারক ও প্রবক্তা মালিকরা কেউ কেউ নিজেরা সংবাদ কর্মীদের উপর যে নিপিড়ণ অত্যাচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কারা লিখবে জবাব দিবেন কি? যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিক ব্যতীত যেমন যুদ্ধ করা যায় না,সাংবাদিক কর্মী ব্যতীত ও সংবাদপত্র, বেতার,টিভি চলে না। বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির অবাধ অগ্রগতি ও আধুনিকতার সুযোগে এই সংবাদ কর্মীদের বাদ দেওয়ার যে প্রবণতা কোন কোন মালিকরা দেখাচ্ছেন এটা শুধু তাদের নৈতিকতারই অবক্ষয় নয়,গণ-মাধ্যমের নীতি আদর্শ সর্বপরি আত্মঘাতি কর্মকান্ড ব্যতীত কিছুই ভাবা যায় না। এক কথায় সরিষার মধ্যেই ভুতের বসোবাস।

উলেখ্য বেশীর ভাগ বড় বড় পত্রিকার মালিকদের ( নোয়াব সদস্য) দেখা যায় নিজ ব্যক্তিস্বার্থে ও প্রতিষ্ঠানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার সহ কখনো কখনো দেখা যায় দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে দেশী বিদেশী সামরাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদীদের থেকে কোটি কোটি ডলার /পাউন্ড ঘুষ খেয়ে দেশকে ধবংসের কিনারায় নিয়ে ঠেকিয়েছে ।
বিগত জুলাই আন্দোলনের ক্থাই ধরুন পাক মার্কিন জামাত শিবির স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের হোতা ড.ইউনুসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের সহযোগিতাকারি সংবাদপত্র মালিক সাংবাদিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ডিইলি বাংলাদেশ টু ডের সম্পাদক এড. গোলাম সারোয়ার, দি ডেইলি ষ্টার এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম,দি ডেইলি এজ এর নূরুল কবির,আমারদেশ এর মাহমুদুর রহমান,সংগ্রামের আবুল আসাদ,ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দিন প্রমূখ ও মানবাধিকার নেতা ড.দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,এনজিও সুজনের বদিউল আলম মজুমদার এনজিও ব্যূরো প্রধান রিজাওয়ানা সুলতানা চৌধুরী, আদিলুর রহমান,তথাকথিত সুশীল ঢাবি শিক্ষক ড.আসিফ নজরুল, টকশো ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন,মি: সায়ের, ডাস্টবিন শফিক,জিল্লুর রহমান দেশধবংস্কারিদের,নিম্নের ছবিতে দুচারজনকে দেখা যাচ্ছে।এর বাইরে অনেক দেশদ্রোহী সাংবাদিক এক্টিভিষ্ট ইউটিউবার নামের অনেক গুপ্ত জঙ্গিরা রয়েছে।
অথচ উপরোল্লেখিত স্বার্থবাদী দেশধবংসকারিদের বিরোদ্ধাচারণের কারণে একঝাঁক স্বাধীনতা সপক্ষের সাংবাদিককে ড.ইউনুস সরকার মিথ্যা মামলায় জেল খানায় অন্তরিন করে রেখেছে দীর্ঘ দুই বছর যাবত । আইন ও মানবতাকে পদদলিত করে জামিন বা মুক্তি কিছুই দিচ্ছে না ড.ইউনুসের উত্তরসূরী বিএনপি সরকারের আমলেও। দ্রুত তাদের নি: শর্ত মুক্তি দেওয়া হোক।

এ ব্যপারে সাংবাদিক সংগঠন গুলির নীতি,নৈতিকতা ও মানবিক বিবেচনায় ‘নোয়াব’ এর অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার সকল প্রকার কর্মসুচী নিয়ে সঠিক পথে এগিয়ে যেতে হবে। নেতৃত্বের মধ্য থেকে আমরা কেউ যেন সাময়িক নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বৃহত্তর সাংবাদিক সমাজের স্বার্থ জলাঞ্জলিত দিয়ে মধ্যস্বত্যভোগির ভুমিকায় অবর্তীণ না হই।

—–বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম করম আলী।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2026 GramBanglarBani
Theme Customized By BreakingNews